হাইব্রিড ধুন্দুল চাষ পদ্ধতি

29th October 2019 0 Comments

ধুন্দুল একটি সুস্বাদু সবজি। এর বৈজ্ঞানিক নাম Luffa aegyptiaca। এটি Cucurbitaceae পরিবারের উদ্ভিদ। এর স্থানীয় নাম ধুন্দল। কাঁচা ফল সবজি হিসাবে ব্যবহার হয়। পাকা এবং শুকনা ফল গোসলের সময় গা ঘসার জন্য এবং রান্না ঘরে বাসন কোসন পরিস্কার করার কাজে ব্যবহার করা হয়।

আমাদের দেশে সাধারনত ধুন্দুলের দুই ধরণের জাত রয়েছে। তাঁর মধ্যে একটি হল দেশি জাত ও অন্যটি হল হাইব্রিড জাত। দেশি জাতের ধুন্দুল এর আকার অনেক ছোট হয় এবং দ্রুত আঁশ হয়ে যায় এবং এর স্বাদ হয় তিতা। অপর দিকে হাইব্রিড জাতের ধুন্দুল আকারে অনেক বড়, লম্বা, সুস্বাদু এবং নরম হয়। তাই আমাদের দেশি জাতের ধুন্দুল বর্তমানে অনেক জনপ্রিয়তা হারিয়েছে। বর্তমানে বাজারে বেশ কিছু হাইব্রিড জাতের ধুন্দুল পাওয়া যাচ্ছে। তাঁর মধ্যে ফুজিয়ান ও গীতা অন্যতম।

 

চলুন তাহলে এবার জেনে নিন এই হাইব্রিড ধুন্দুল কিভাবে চাষ করবেনঃ

জমি নির্বাচন করুন:

উর্বর এটেল দো-আঁশ মাটি ধুন্দুল চাষাবাদের জন্য উপযোগী। বীজ বপনের সময় ফেব্রুয়ারি থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত বীজ বপনের সময়। প্রতি শতাংশে ৪ গ্রাম এবং একরপ্রতি ৪০০ গ্রাম বীজ লাগতে পারবেন।

বীজ বপনঃ 

সারি থেকে সারির দূরত্ব ২ মিটার এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব ১ মিটার। ১৫৫ সেমি. প্রশ্বস্ত বেডের উভয় পাশে ৩০ সেমি. (১ ফুট) জায়গা রেখে একটি সারিতে ১ মিটার (৪০ ইঞ্চি) দূরে দূরে বীজ বপন করতে হবে। সেচ ও নিষ্কাশনের সুবিধার্থে দুই বেডের মাঝে ৪৫ সেমি. (১৮ ইঞ্চি) চওড়া ও ১৫ সেমি. (৬ ইঞ্চি) গভীর নালা রাখা আবশ্যক।

ফসল সংগ্রহ ফলন:

বীজ বপনের ৪০-৪৫ দিনের মধ্যে ফসল সংগ্রহ শুরু করা যায়। প্রতি শতকে ফলন ১২০-১৪০ কেজি এবং একরপ্রতি ফলন ১২-১৪ টন।

সবশেষ নির্দেশিকা:

জমি আগাছা মুক্ত রাখতে হবে। প্রয়োজনে সেচ ও নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নিতে হবে। গাছ লতানোর জন্য মাচার ব্যবস্থা করতে হবে। রোগবালাই দমনে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে।

 

অনলাইনে বীজ কোথায় পাওয়া যায়ঃ

দোকানের পাশাপাশি এখন অনলাইনে বীজ কিনতে পারবেন। কিনতে নিচে বীজ লেখা লিঙ্কের উপর ক্লিক করুনঃ

বীজ

 

Leave a Comment

Your email address will not be published.