হলুদ (Curcuma) একটি বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Curcuma longa আরেকটি নাম বর্ণবতী। তাই এটি শুধু রান্নায় নয়। প্রাচীনকাল থেকে এটি ঘরোয়া ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে এবং এটি ভারতবর্ষে আয়ুর্বেদ ও হেকমিতে ব্যবহৃত। এটি ভেষজ ছাড়াও বর্ণ, রুচি ও দীপ্তির জন্য উপকারী হিসেবে চিহ্নিত। এই গাছ ৬০ -৯০ সেমি উঁচু এবং এটা পাতা বড় আয়তাকার হয়ে থাকে। এবং উদ্ভিদটি এক মিটার লম্বা হয়। হলুদের ফুলের রং সাদা ও হলুদ রঙের হয় হলুদ গাছের আদি উৎস দক্ষিণ এশিয়া। এটি বাংলাদেশ, ভারত ও দক্ষিণ এশিয়ায় প্রচুর চাষ করা হয়।
 

এবার জেনে নেওয়া যাক বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদহলুদের কিছু উপকারিতাঃ

 

 ১। যাদের লিভারের সমস্যা রয়েছে তারা যদি হলুদের রস একটু চিনি বা মধু মিশিয়ে খায় তাহলে উপকার পাওয়া যেতে পারে। কারন এই হলুদের ঘরোয়া ওষুধ অনেক আগে থেকেই চলে আসছে ।

২। হামজ্বর হলে মধু মিশিয়ে হলুদের গুঁড়ো খেলে এ সব রোগে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।

৩।পেটের ব্যাথা সারতে হলুদ খুবই কার্যকর। দুধের সাথে হলুদের গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে উপকার মেলে।

৪। যদি কেউ কাঁচা হলুদের রস সামান্য লবণ এর সাথে মিশিয়ে সকালে খালি পেটে খায় তবে। তাহলে কৃমি দমন হবে।

৫।পেটের রোগ সারাতে হলুদের কোন তুলনা হয় না। কারো পেটে গ্যাস হলে বা পুরনো ডায়েরিয়া হলে হলুদের গুঁড়ো বা রস পানি সহ খেলে খুবই উপকার হবে।

 

এছাড়াও  যদি গরম দুধে হলুদ গুঁড়ো ও গোলমরিচ গুঁড়ো মিশিয়ে খেলে সর্দিজ্বর কমে যায় ।

 

অনলাইনে বীজ কোথায় পাওয়া যায়ঃ

দোকানের পাশাপাশি এখন অনলাইনে বীজ কিনতে পারবেন। কিনতে নিচে বীজ লেখা লিঙ্কের উপর ক্লিক করুনঃ

বীজ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *