যকৃতের যত্নে বাঁধাকপি

29th January 2020 0 Comments

 যকৃত মেরুদণ্ডী ও অন্যান্য কিছু প্রাণীদেহে অবস্থিত একটি আভ্যন্তরিক অঙ্গ। এটি বক্ষপিঞ্জরে মধ্যচ্ছদার নিচের অংশে অবস্থিত। একে চলতি বাংলায় কলিজা বলে সচরাচর উল্লেখ করা হয়। বাঁধাকপির গ্লুকোসাইনোলেটস আইসোথায়োসায়ানেটস তৈরিতে সাহায্য করে। যা লিভারের টক্সিন বের হয়ে যেতে সাহায্য করে। বাঁধাকপিতে ক্লোরোফিল থাকে যা লিভারকে শক্তিশালী হতে সাহায্য করে।

এছাড়াও আরো কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো আপনার যকৃতের যত্ন  নিতে সাহায্য করবেঃ

১।  টমেটোতেও প্রচুর পরিমাণে গ্লুটাথায়ন থাকে যা একটি চমৎকার ডিটক্সিফায়ার। এছাড়াও টমেটোতে লাইকোপিন থাকে বলে ব্রেস্ট ক্যান্সার, স্কিন ক্যান্সার ও ফুসফুসের ক্যান্সার থেকে সুরক্ষা দেয়।

২। কাঁচা পালংশাক গ্লুটাথায়নের বড় উৎস যা যকৃতের এনজাইমকে উদ্দীপিত করে। সবুজ শাকে নির্দিষ্ট কিছু ক্লোরোফিল থাকে যা বিষাক্ত পদার্থ শোষণ করে নেয়ার ক্ষমতা রাখে।

৩। লিভার পরিষ্কার করার উপাদান গ্লুটাথায়নের আরেকটি উৎস হচ্ছে আঙ্গুর। এতে উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা লিভারের এনজাইমের উৎপাদনকে উদ্দীপিত করে এবং লিভারকে প্রাকৃতিকভাবে পরিষ্কার হওয়ার প্রক্রিয়াকে বৃদ্ধি করে।এছাড়াও লেবুতে উচ্চমাত্রার ভিটামিন সি থাকে যা যকৃতকে উদ্দীপিত হতে সাহায্য করে এবং বিষাক্ত পদার্থকে সংশ্লেষিত হতে সাহায্য করে।

৪।  আপেলে উচ্চ মাত্রার পেকটিন ও অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান ও থাকে, যা পরিপাক নালী হতে বিষাক্ত পদার্থ দূর করে পরিষ্কার হতে সাহায্য করে। লিভার পরিষ্কার হওয়ার প্রক্রিয়াকে সহজ হতে সাহায্য করে আপেল।

৫। যকৃতকে ডিটক্স হতে সাহায্য করে হলুদ। ডায়াটারি কার্সিনোজেনকে বের করে দেয়ার জন্য লিভারের এনজাইমকে সাহায্য করে হলুদ।

Leave a Comment

Your email address will not be published.