মিশ্র জৈবসার প্রয়োগের সুফলগুলি

10th February 2020 0 Comments

জৈব সার জৈব পদার্থ থেকে উদ্ভূত সার, পশু মলমতা (পুকুর), মানুষের মালকড়ি, এবং উদ্ভিজ্জ বিষয় (যেমন কম্পোস্ট এবং ফসল অবশিষ্টাংশ)। স্বাভাবিকভাবেই জৈব সার সৃষ্টিকারী মাংস প্রক্রিয়াকরণ, পিট, সার, স্লারি, এবং গুয়ানো থেকে পশু বর্জ্য রয়েছে।

বিপরীতে, বাণিজ্যিক চাষে ব্যবহূত সারের অধিকাংশই খনিজ পদার্থ (যেমন, ফসফেট শিলা) থেকে উত্পন্ন হয় অথবা শিল্পোন্নত (যেমন, অমমোন) উৎপাদিত হয়।

মাটিতে মিশ্র জৈবসার প্রয়োগের ফলে নিম্নলিখিত সুফলগুলি: 

১. যেকোন ধরনের মাটির ভৌত অবস্থার উন্নতি ঘটিয়ে মাটিকে নরম, ঝুরঝুরে করে , মাটির জল ধারণ ক্ষমতা বাড়ায়, মাটির বায়ু চলাচলের পরিমাণ বাড়ায় , মাটির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, লবণাক্ততা কমে যায়, মাটির আম্লিক বা ক্ষারিয় প্রভাব কমিয়ে মাটিকে প্রশমিত (ph – ৭.০ এর কাছাকাছি) করে।
২. উদ্ভিদের খাদ্য উপাদান সরবরাহ – মিশ্র জৈবসার মাটিতে দেওয়ার ফলে মুখ্য খাদ্য উপাদানগুলি যেমন নাইট্রোজেন, পটাশ, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম প্রভৃতি মুখ্য উপাদান এবং কতকগুলি গৌন খাদ্য উপাদানের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় যার ফলে  উদ্ভিদের সুসংহত বৃদ্ধি ঘটে।

৩. উদ্ভিদের জৈবিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি পায় – এর ফলে নাইট্রিফিকেশন ও অ্যামোনিফিকেশনের মত জৈবিক পদ্ধতিগুলি বৃদ্ধি পায়।

৪. উদ্ভিদের হরমোনের বৃদ্ধিসাধন করে: জৈব সার প্রয়োগে গাছের বৃদ্ধি হরমোন যেমন অক্সিন, হেটারোক্সিন ইত্যাদির বেশি উৎপাদনের ফলে গাছের বৃদ্ধি ভলো হয় শস্য উৎপাদন বেশি হয়।

৫. পচনশীল, অব্যবহৃত বা বর্জ্য পদার্থের সুষ্ঠু ব্যবহারের ফলে দূষণ কমে। রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমে।

৬. ফসলের জলের চাহিদা কমে বা সেচের জল কম পরিমাণে লাগে। 

Leave a Comment

Your email address will not be published.