ভোলাটুকি

9th December 2019 0 Comments

বাংলা নাম: ভোলাটুকি, ভল্লাত, ভল্লাতক

ইংরেজি নাম: The Marking nut Tree
বৈজ্ঞানিক নাম: Semecarpus anacardium
ময়মনসিংহে এই ফলটির নাম বাওলা, অন্য নাম ভোলা। ভোলাটুকি ছোট আকারের পাতাঝরা স্বভাবের বৃক্ষ। গাছের মাথায় প্রচুর শাখা-প্রশাখা ও পাতা থাকায় তা ছাতার মতো দেখায়। ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের শুষ্ক বনাঞ্চলে ভোলাটুকির গাছে দেখা যায়। ফল ছোট, আকারে বড় জোর ২.৫ সেমি। পাকলে খোসার রঙ বেগুনি হয়ে যায়। কচি ফল টক, লবণ মিশিয়ে খাওয়া যায়, আচার তৈরি করা যায়। বলা হয়, বীজের শাঁস খেলে মেধা ও স্মরণশক্তি বাড়ে। এছাড়াও এজমা, ত্বকের সংক্রমণ, জ্বালাপোড়ায় বীজের ব্যবহার করা হয়। ভোলাটুকির গাছ এখন কম দেখা যায়  ভোলাটুকি গাছ ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

উপকারিতাঃ

১। ভোলাটুকি বীজের শাঁস খেলে মেধা ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়।

২। ভোলাটুকি বীজের শাঁস খেলে এজমা ভালো হয়।

৩। ভোলাটুকি বীজের শাঁস বেটে ত্বকে লাগালে ত্বক ভালো থাকে।

৪। শরীরের কোথাও জ্বালাপোড়া করলে ভোলাটুকি  বীজের শাঁস বেটে ওই স্থানে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

৫। কোনস্থানে ক্ষত হলে ভোলাটুকি  বীজের শাঁস বেটে ক্ষতে লাগালে ক্ষত দ্রুত ভালো হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published.