বোতাম ফুল

4th November 2019 0 Comments

বোতাম ফুল গুল্মজাতীয় চিরসবুজ ফুলগাছ। গাছের গড় উচ্চতা ১ থেকে দেড় ফুট হয়ে থাকে। গাছ ঝোপালো, কান্ড ও পাতা রসালো। এর আদিনিবাস ভারতীয় উপমহাদেশের হিমালায়ান অঞ্চল। পাতা সবুজ, সরু ও লোমশ। আকারে ২ সেন্টিমিটার চওড়া। বোতাম আকৃতির বৃত্তাকার ছোট ছোট ফুল এক কথায় মনোরম। খাড়া লম্বা ডাটায় গাছের প্রায় প্রতি শাখা-প্রশাখায় ফুল ধরে। এর রয়েছে বাহারি রঙের ফুল। এর মধ্যে-সাদা, লাল, কমলা, বেগুনি ও ম্যাজেন্ডা রঙের ফুল অধিক পরিমাণে চোখে পড়ে। ফুল গন্ধহীন। ফুটন্ত ফুলের সৌন্দযর্ দীঘির্দন স্থায়ী থাকে। তা ছাড়া সংগৃহীত ফুল শুকিয়ে গেলেও সৌন্দযর্ বজায় থাকে। ফুল ফোটার মৌসুম গ্রীষ্ম ও বষার্। সরাসরি মাটি ও টবে চাষ উপযোগী ফুলগাছ। দো-আশ থেকে বেলে দো-আশ  মাটি রৌদ্রজ্জ্বল পরিবেশ উঁচু থেকে মাঝারি উঁচু ভ‚মি ও পানি নিকাশের সুবিধাযুক্ত স্থানে বোতাম ফুলগাছ ভালো জন্মে। তবে সামান্য আদ্রর্ পরিবেশে এদের মানিয়ে নিতে তেমন সমস্যা হয় না। তা ছাড়া এ ফুলগাছ বেশ খরা সহনশীলও বটে। বীজের মাধ্যমে বংশ-বিস্তার করা হয়। বীজের আকার ক্ষুদ্রাকৃতির। এ ফুলগাছের রয়েছে ভেষজ গুণাগুণ। আমাদের দেশের প্রায় বাসাবাড়ি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বাগান, ছাদ বাগান, পাকর্ উদ্যানের সবর্ত্রই এ ফুলগাছ চোখে পড়ে।

এই বোতাম ফুল গাছ বাংলাদেশের সর্বএ জন্মায়। বোতাম ফুল গাছ ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ‘

 

 

উপকারিতাঃ

১। ভাঙ্গা হাড় জোড়া লাগাতে বোতাম ফুলের ডাটা বেটে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

২। মেয়েদের নাক ও কান ফুটানোর আগে এই ফুল ডাটা সমেত বেটে নাকে ও কানে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

৩। কাটা দাগ দূর করতে বোতাম ফুলের ডাটা বেটে লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

৪। বোতাম ফুলের ডাটা বেটে লাগালে পোড়া দাগ ভালো হয়।

৫। চামড়ায় স্বাভাবিক বর্ণ ফিরিয়ে আনতে এই ফুলের ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

 

 

অনলাইনে বীজ কোথায় পাওয়া যায়ঃ

দোকানের পাশাপাশি এখন অনলাইনে বীজ কিনতে পারবেন। কিনতে নিচে বীজ লেখা লিঙ্কের উপর ক্লিক করুনঃ

বীজ

 

Leave a Comment

Your email address will not be published.