বেগুনের বহুমাত্রিক গুনাগুন

26th November 2019 0 Comments

 

বেগুন এক প্রকারের সবজি। বেগুন গাছের ফলকে রান্না করে খাওয়া হয়। এর আদি নিবাস দক্ষিণ এশিয়া। এটি টমেটো ও আলুর সাথে সম্পর্কিত। বেগুন গাছ প্রায় ৪০ থেকে ১৫০ সেমি দীর্ঘ হয়। পাতাগুলো ঘন এবং প্রায় ১০ থেকে ২০ সেমি দীর্ঘ ও ৫ থেকে ১০সেমি প্রশস্ত হয়। বুনো বেগুন গাছ আরো বড় হতে পারে। বেগুনের ফুল সাদা হতে গোলাপী বর্ণের হয়। পাঁচটি পাপড়ি থাকে। বেগুনের ফল বেগুনী বা সাদা বর্ণের হয়। ফল অনেকটা লম্বাটে নলাকৃতির হয়ে থাকে। ফলের ভিতরে অনেকগুলো নরম বীজ থাকে। কিন্তু আপনি কি জানেন এই এই বেগুন শুধু সবজি হিসেবেই না এর রয়েছে আরোও নানান গুন। আজকের লেখাতে আমরা আপনাদের জন্য তাই জানাবো বেগুনের বহুমাত্রিক গুনাগুন গুলো।

 

চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক বেগুনের বহুমাত্রিক গুনাগুন গুলোঃ

 

(১) বেগুনের রঙের প্রভাব এর গুণের ওপর নির্ভর করে।  বেগুনে ভিটামিন সি-র উপস্থিতি এর রঙের ওপর নির্ভর করে। গাঢ় বেগুনি রঙের বাকল থাকা বেগুনে বেশি ভিটামিন সি থাকে। অন্যদিকে ফ্যাট, প্রোটিন ও কার্বোহাইড্রেট বেগুনে কম থাকে। ১০০ গ্রাম বেগুনে ১.৪ গ্রাম প্রোটিন, ০.০৩ গ্রাম ফ্যাট, ৪ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট, ১৮ গ্রাম ক্যালসিয়াম, ৪৭ মিলিগ্রাম ফসফরাস, ০.৩৮ মিলিগ্রাম আয়রন, ১২ মিলিগ্রাম ভিটামিন সি, ২০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম এবং ১৬ গ্রাম ম্যাগনেসিয়াম থাকে।

 

(২) কোষ্ঠকাঠিন্যের ক্ষেত্রেও বেগুন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেই সাথে বেগুন রক্ত চলাচল সঠিক রাখে।

 

(৩) অ্যাজমার চিকিৎসার ক্ষেত্রেও বেগুন গাছের শেকড় ব্যবহার করা হয়। এবং অ্যাজমার চিকিৎসার ক্ষেত্রেও বেগুন গাছের শেকড় ব্যবহার করা হয়।

 

(৪) অ্যাজমার চিকিৎসার ক্ষেত্রেও বেগুন গাছের শেকড় ব্যবহার করা হয়।এবং বেগুনের রস দাঁতের যন্ত্রণা দূর করতে ব্যবহার করা যায়।

 

(৫) শুষ্ক ত্বকের জন্য বেগুন খুব উপকারী। কারণ বেগুন ত্বকে সিক্ততা প্রদান করে। বেগুন চিপে এর রস খেলেও রক্তে কলেস্টেরলের পরিমাণ কমে।

 

অনলাইনে বীজ কোথায় পাওয়া যায়ঃ

দোকানের পাশাপাশি এখন অনলাইনে বীজ কিনতে পারবেন। কিনতে নিচে বীজ লেখা লিঙ্কের উপর ক্লিক করুনঃ

 

বীজ

Leave a Comment

Your email address will not be published.