বারি মাল্টা ১

15th October 2019 0 Comments

বারি মাল্টা ১ বাংলাদেশে উদ্ভাবিত একপ্রকার মাল্টা ফল । এটির স্বাদ ও গন্ধ দেশী বা সাধারণ মাল্টার চেয়ে ভাল। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ মাল্টা একটি সুস্বাদু ফল। সাইট্রাস ফলের মধ্যে এটি অন্যতম জনপ্রিয় ফল। বাংলাদেশের পাহাড়ী এলাকা বারি মাল্টা ১ এর চাষাবাদের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।পাহাড়ি ঢালু জমিতে মাল্টা চাষ ভালো হয়ে থাকে। বীজ ও কলম দু’ভাবেই মাল্টার চাষ করা যায়।

 

জাতঃ

বাংলাদেশের বাজারে বিদেশ থেকে আমদানিকৃত সবুজ ও কমলা রঙের মাল্টা বিক্রি করতে দেখা যায়। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট “বারি মাল্টা-১” নামে ২০০৩ সালে মাল্টার এই উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছে, যে জাতটির পাকা ফল দেখতে সবুজ ও খেতে সুস্বাদু।

 

বারি মাল্টা-১ চেনার উপায়ঃ

বারি মাল্ট-১ এর মাথার দিকে গোলাকার একটা দাগ থাকে, ঠিক যেন কেউ ১ টাকার কয়েন দিয়ে সেখানে চাপ দিয়েছে।

 

মাল্টা চাষের জন্য জমি নির্বাচনঃ

উঁচু এবং সব সময় রোদ পড়ে এমন জমি মাল্টা চাষের জন্য নির্বাচন করতে হবে। বৃষ্টির পানি দ্রুত নেমে যায় এমন জমি নির্বাচন করতে হবে অর্থাৎ জমির পানি সহজেই নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকতে হবে। মাল্টা চাষের জন্য নির্বাচিত জমি সমতল হতে হবে, তা না হলে মই দিয়ে সমান করে নিতে হবে।
জমিতে আগাছা থাকলে তা পরিষ্কার করে নিতে হবে এবং আসপাসের ছায়া দানকারি উঁচু গাছের ডালপালা কেটে দিতে হবে।

 

রোপন পদ্ধতিঃ

মে থেকে অগাষ্ট মাস মাল্টা গাছের চারা/কলম লাগানোর উত্তম সময়। তবে বছরের অন্যান্য সময়ে পানি সেচের ব্যাবস্থা করা গেলে যে কোন সময় মাল্টার চারা/কলম লাগানো যাবে। চারা রোপনের জন্য ৭৫ সেমি দৈঘ্যে, ৭৫ সেমি’র প্রস্থ এবং ৭৫ সেমি গভীরতার ৩-৪ মিটার দূরত্বে গর্ত করে নিতে হবে।

গর্ত করার পর, জৈব সার ১৫ কেজি, ছাই ৪-৫ কেজি, টিএসপি সার ২৫০ গ্রাম, এমওপি সার ২৫০ গ্রাম এবং চুন ২৫০ গ্রাম গর্তের মাটির সঙ্গে মিশিয়ে ১৫-২০ দিন মাটি দ্বারা ঢেকে রাখতে হবে।১৫ দিন পর গর্তের মাটি আবার কোদাল দিয়ে আলগা করে সংগ্রহীত চারা গর্তে রোপন করতে হবে।

চারা রোপনের পর প্রয়োজন মত পানি দিতে হবে এবং শক্ত খুঁটি গেড়ে তার সাথে বেঁধে দিতে হবে। যাতে করে সদ্যরোপনকৃত চারা বাতাসে হেলে না পড়ে।

মাল্টা গাছে সার প্রয়োগ পদ্ধতিঃ মাল্টার চারা রোপনের পর প্রতি বছর নিয়ম করে তিন বার গাছের গোড়ায় সার দিতে হবে।

# প্রথমবারঃ মধ্য ফাল্গুন থেকে মধ্য চৈত্র মাসের মধ্যে(মার্চ মাসে)।

# দ্বিতীয়বারঃ বর্ষার আগে মধ্য বৈশাখ থেকে মধ্য জ্যৈষ্ঠ মাসে (মে মাসে)।
# তৃতীয়বারঃ বর্ষার পরে মধ্য ভাদ্র থেকে মধ্য আশ্বিনে (সেপ্টেম্বর মাসে)।

বছরে মোট এই তিনবারে  সার প্রয়োগ করতে হবে, তবে সেচের ব্যবস্থা না থাকেল কেবল প্রথম ও শেষ মোট দুই বারে সার প্রয়োগ করাটাই উত্তম।

 

অনলাইনে গাছপালা কিনবেন কিভাবেঃ

নার্সারির পাসাপাসি গাছপালা কিনতে পারবেন এখন অনলাইনে ।গাছপালা কিনতে ভিজিট করুন নিচে দেয়া নার্সারী লেখার উপর এবং অর্ডার করতে পারেন দেশের যেকোন প্রান্ত থেকেঃ

 

নার্সারী

 

Leave a Comment

Your email address will not be published.