কাঁঠাল এর বৈজ্ঞানিক নাম Artocarpus heterophyllus (ইংরেজী নাম: Jackfruit) মোরাসিয়া পরিবারের আর্টোকার্পাস গোত্রের ফল। এক প্রকারের সবুজ রঙের সুমিষ্ট গ্রীষ্মকালীন ফল। এটি বাংলাদেশের জাতীয় ফল হিসাবে সরকারীভাবে নির্ধারিত। বাংলাদেশের সর্বত্র কাঁঠাল গাছ পরিদৃষ্ট হয়। কাঁচা কাঁঠালকে বলা হয় এঁচোড়। কাঁঠাল গাছের কাঠ আসবাবপত্র তৈরীর জন্য সমাদৃত। কাঁঠাল পাতা বিভিন্ন প্রাণীর পছন্দের খাদ্য। তুলনামূলকভাবে বিশালাকার এই ফলের বহির্ভাগ পুরু এবং কান্টকাকীর্ণ, অন্যদিকে অন্তরভাগে একটি কাণ্ড ঘিরে থাকে অসংখ্য রসালো কোয়া। কাঁঠালের বৃহদাকার বীজ কোয়ার অভ্যন্তরভাগে অবস্থিত। কাঁঠালের উন্নত জাত হল বারি কাঁঠাল-১,আজকের লেখায় জানবো বারি-১ কাঁঠাল সম্বন্ধে।

 

জাত এর নামঃ

বারি কাঁঠাল-১

অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠানঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট

জীবনকালঃ সারা বছর দিন

সিরিজ সংখ্যাঃ ১

উৎপাদন ( সেচ সহ ) / প্রতি হেক্টরঃ ১১৮ টন কেজি

উৎপাদন ( সেচ ছাড়া ) / প্রতি হেক্টরঃ ০ কেজি

 

জাত এর বৈশিষ্টঃ

 

১। নিয়মিত ফলদানকারী উচ্চ ফলনশীল আগাম (মে-জুন বা জ্যৈষ্ঠ) জাত।

২। গাছ খাড়া প্রকৃতির ও মধ্যম ঝোপালো।

৩। গাছ প্রতি ১২৫ টি ফল ধরে যার ওজন ১১৮১ কেজি।

৪। ফল মাঝারী (৯.৫ কেজি) ও ডিম্বাকৃতির।

৫। শাঁস মধ্যম নরম, খুব রসালো এবং খুব মিষ্টি (ব্রিক্সমান ২২%)।

৬। খাদ্যোপযোগী অংশ ৫৫%।

 

চাষাবাদ পদ্ধতিঃ

১ । বপনের সময় : চারা বা কলম রোপণের সময় মধ্য জ্যৈষ্ঠ থেকে মধ্য শ্রাবণ (জুন-আগস্ট) মাস। ভাদ্র-আশ্বিন (সেপ্টেম্বর) মাস পর্যন্ত চারা রোপণ করা যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টির সময় চারা/কলম রোপণ না করাই ভাল।

২ । মাড়াইয়ের সময় : আগাম (মে-জুন বা জ্যৈষ্ঠ)

৩। গর্তে সারের পরিমান (গর্ত প্রতি) : গোবর-২৫-৩৫কেজি, টিএসপি-৪০০-৫০০গ্রাম, এমওপি- ২৪০-২৬০গ্রাম।

 

অনলাইনে গাছপালা কোথায় পাওয়া যায়ঃ

নার্সারির পাসাপাসি গাছপালা কিনতে পারবেন এখন অনলাইনে ।গাছপালা কিনতে ভিজিট করুন নিচে দেয়া নার্সারী লেখার উপর এবং অর্ডার করতে পারেন দেশের যেকোন প্রান্ত থেকেঃ

 

নার্সারী

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *