পাবদা মাছের পেট ফোলা রোগ

30th October 2019 0 Comments

সাধারণত পুকুরের তলদেশে অতিরিক্ত জৈব পদার্থ জমা হয়ে গেলে, অধিক ঘনত্বে মাছ মজুদ করলে, পানির পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেলে এই রোগ দেখা দেয়।
পুকুরে থাকা যেকোনো মাছের জন্যই পুকুরের এই পরিবেশ অত্যন্ত বিপজ্জনক। মাছ চাষিদের জন্য যে কোনো সময় ভয়াবহ বার্তা নিয়ে আসতে পারে পাবদা বা যেকোনো মাছের এই পেট ফোলা রোগ।

 

রোগের প্রাদুর্ভাবঃ

সাধারণত শীতের শুরুতে ও গ্রীষ্মের শুরুতে এই রোগ ছড়িয়ে পড়ে।

লক্ষণঃ

মাছের পেট ফুলে যায়, ফোলা অংশে চাপ দিলে পায়ু দিয়ে পানি জাতীয় তরল বের হয়, চাপ দিলে ফোলা অংশের ভিতর গ্যাস বা তরল কিছু অনুভূত হয়। এই রোগে মাছের মৃত্যু ঘটে থাকে।

প্রতিরোধঃ

অল্প ঘনত্বে মাছ চাষ করতে হবে।
নিয়মিত পানি পরিবর্তন করতে হবে।
পরিমাণের চেয়ে বেশি খাদ্য প্রয়োগ করা যাবে না।
এক সপ্তাহ পর পর চুন ও লবণ প্রয়োগ করতে হবে।

প্রতিকারঃ

অতিরিক্ত আক্রান্ত মাছ পুকুর থেকে সরিয়ে ফেলতে হবে।
১ লিটার পানিতে ১ গ্রাম পটাশিয়াম পার ম্যাঙ্গানেট গুলে তাতে আক্রান্ত মাছগুলোকে ২ মিনিট গোসল করিয়ে পুকুরে ছেড়ে দিতে হবে।

অথবা, প্রতি কেজি খাবারের সাথে ৫ গ্রাম অক্সিটেট্রাসাইক্লিন (বাজারে টেট্রাভেট নামে পাওয়া যায়), ১ গ্রাম ভিটামিন সি ও ২ গ্রাম লেসিফস মিশিয়ে ৩ থেকে ৫ দিন খাওয়াতে হবে

 

 

 

 

 অনলাইনে মাছের পোনা কোথায় পাওয়া যায়ঃ

হ্যাচারীর পাশাপাশি এখন অনলাইনেও অর্ডার করে কিনতে পারবেন যে কোন মাছের পোনা । মাছের পোনা কিনতে ক্লিক করুন নিচে দেয়া মাছের পোনা লেখার উপর।

মাছ

Leave a Comment

Your email address will not be published.