পাইন গাছ

28th December 2019 0 Comments

পাইন গাছ মূলত আমাদের দেশীয় কোন উদ্ভিদ নয়। পাইন গাছ মূলত শীতপ্রধান দেশে হয়ে থাকে। তবে বাংলাদেশে এখন পাইন চাষ শুরু হয়েছে। পার্ব্ত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় অনায়াসেই এ গাছ বড় হয়। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের পাইন বনও চোখে পড়ে। কান্ডের সরল গড়ন ও পাতার সেীন্দর্যের জন্য গাছটি বেশ নান্দনিক। এ কারণেই একসঙ্গে একাধিক গাছের উপস্থিতি চোখের জন্য স্বস্তিদায়ক। পাইন মূলত ক্যারিবীয় অঞ্চলের গাছ। চিরসবুজ এ গাছ ৪৫ মিটার পর্যন্ত উঁচু হতে পারে। পাতা সুতার মতো , সরু ও লম্বা। সাধারণত তিনটি পাতা প্রশাখার আগায় গুচ্ছবদ্ধভাবে থাকে। কখনও কখনও এর ব্যতিক্রম ও হতে পারে। গাছের বিক্ষিপ্ত ফাটা ফাটা বা থেকে ধুনা বের হয়। এর নগ্নবীজ প্রজাতীর উদ্ভিদ বিধায় ডালের আগার মোচায় বীজ উন্মক্ত থাকে। আমাদের দেশে সরল গাছ নামে আরেক ধরনের পাইন গাছও দেখা যায়। তবে এরা আকারে কিছুটা ছোট। শীতের তীব্রতা না থাকায় আমাদের দেশের গাছগুলোয় ততটা প্রাণ থাকে না। এই গাছ দেখতে সুন্দর হলে এর আর কিছু উপকারিতা রয়েছে। এর উপকারিতা সম্পর্কে আমরা জানব।


উপকারিতাঃ

১। পাইন গাছের তেল চামড়ার সমস্যা ব্রণ, খিঁচুনি, ফোলার রোগে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

২। শরীরের অতিরিক্ত তরল পরিত্রাণ পেতে একটি diuretic হিসাবে কাজ করে।

৩। সারা শরীর জুড়ে রক্ত সঞ্চালন উদ্দীপিত করার জন্য তার তেল dilutions ব্যবহার করা হয়।

৪। পাইন গাছের তেল শক্তিশালী এন্টিসেপটিক অ্যান্টিবায়োটিক এবং এন্টি-ফিঙ্গাল হিসেবে কাজ করে।

৫। শরীরের কোন স্হানে আঘাত পেলে বা পা ফুলে গেলে পাইন গাছের তেল মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায়।

৬। চর্মরোগের সমস্যা দেখা দিলে পাইন গাছের তেল ক্ষত স্থানে লাগালে চর্মরোগ দ্রুত ভালো হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published.