পলাশ

24th November 2019 0 Comments

পলাশ (Parrot tree, Bastard Teak) মাঝারি আকারের পর্ণমোচী বৃক্ষ। তবে পলাশ গাছ তার ফুলের জন্যই সবচেয়ে বেশি পরিচিত। অন্যান্য ফুলের পাশাপাশি আগুনরাঙা পলাশের রূপ কার না ভালো লাগে! দূর থেকেও মানুষের নজর কাড়ে, হৃদয় কাড়ে। এ জন্য পলাশকে বলা হয় অরণ্যের অগ্নি। উচ্চতা গড়ে ১২ থেকে ১৫ মিটার। শাখা-প্রশাখার সামনে থোকায় থোকায় ফুল ফোটে। কুঁড়ি দেখতে অনেকটা বাঘের নখের আকৃতির মতো। বাকল ধূসর। শাখা-প্রশাখা ও কাণ্ড আঁকাবাঁকা। নতুন পাতা রেশমের মতো সূক্ষ্ম। গাঢ় সবুজ পাতা ত্রিপত্রী, দেখতে অনেকটা মান্দার গাছের পাতার মতো হলেও আকারে বড়। শীত মৌসুমে গাছের সব পাতা ঝরে যায়। গ্রীষ্মে নতুন পাতা গজায়। ফুল ফোটার সময় গাছ থাকে পাতাশূন্য। গাছের শাখা-প্রশাখা নরম। ফুল শেষে গাছে ফল ধরে। ফল দেখতে অনেকটা শিমের মতো। বীজ ও ডাল কাটিংয়ের মাধ্যমে পলাশের বংশবিস্তার ঘটানো হয়। পলাশ গাছ বাংলাদেশ সহ ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, লাওস, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়ায় জন্মে। এই গাছ ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

উপকারিতাঃ

১। নিয়মিত পলাশ গাছের শিকড়ের রস চোখে দিলে চোখের ছানি ও রাতকানা রোগ ভালো হয়।

২। পলাশ গাছের ছাল এবং শুকনো আদা এক সঙ্গে গুঁড়ো করে পানিতে মিশিয়ে প্রতিদিন খেলে হজমের
সমস্যা ভালো হয়।

৩। পলাশ গাছের ছাল গুঁড়ো করে হালকা গরম পানির সাথে মিশিয়ে খেলে পেট ফাঁপা, বায়ুবিকার দ্রুত ভালো হয়।

৪। পলাশের ডাল পুড়িয়ে যে ছাই পাওয়া যায়, তার সঙ্গে ঘি মিশিয়ে খেলে অর্শজনিত রক্তক্ষরণ দূর হয়।

৫। পলাশ বীজ গুঁড়ো ও মধুর মিশ্রণ শরীরের যে অংশে গাঁটে ব্যথা হয় তাতে দিলে উপকার পাওয়া যায়।

৬। পলাশ বীজ গুঁড়ো করে আখের গুড়ের সাথে মিশিয়ে খেলে যেকোন মূত্রজনিত সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়।

 

অনলাইনে বীজ কোথায় পাওয়া যায়ঃ

দোকানের পাশাপাশি এখন অনলাইনে বীজ কিনতে পারবেন। কিনতে নিচে বীজ লেখা লিঙ্কের উপর ক্লিক করুনঃ

বীজ

 

 

Leave a Comment

Your email address will not be published.