পটাশ সার

10th February 2020 0 Comments

সব ধরনের ফুল-ফলের গাছে পটাশ  সার অপরিহার্য। এই সার গাছের পাতার ক্লোরফিল তৈরির অবিচ্ছেদ্য অংশ, শর্করা প্রস্তুতিতে সহায়তা এবং সেগুলির দেহাভ্যন্তরে চলাচলের পথ সুগম করে, নাইট্রোজেনের কার্যকারিতার পরিপূরক, পোকামাকড় ও রোগবালাই থেকে গাছকে রক্ষা করে, খরা সহিঞ্চুতা বাড়ায়, গাছকে মজবুত করে৷

পটাশ সার গাছের ফুল-ফল বৃদ্ধি করে এবং ফুল-ফলের গুণগত মান বৃদ্ধি করে৷

পটাশিয়াম উদ্ভিদ কোষের ভেদ্যতা রক্ষা করে। উদ্ভিদে শ্বেতসার দ্রব্য স্থানান্তরে বা পরিবহনে সহায়তা করে। লৌহ ও ম্যাংগানিজের কার্যকারিতা বাড়ায়। আমিষ উৎপাদনে সাহায্য করে। উদ্ভিদে পানি পরিশোষণ, আত্তীকরণ ও চলাচল তথা সার্বিক নিয়ন্ত্রণে অংশগ্রহণ করে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়ায়। গাছের কাঠামো শক্ত করে। নাইট্রোজেন ও ফসফরাস পরিশোষণে সমতা বিধান করে।
পটাশের ঘাটতি হলে পুরাতন পাতার কিনরা হতে বিবর্ণতা শুরু হয়। গাঢ় নীল বর্ণের পাতা দেখা যায়। পাতার আন্তঃশিরায় বাদামি বর্ণের টিস্যু হতে দেখা যায়। পাতার উপরিভাগে কুঞ্চিত হতে বা ভাঁজ পড়তে দেখা যায়। গাছ বিকৃত আকার ধারণ করে। ছোট আন্তঃপর্বসহ গাছের বৃদ্ধি কমে যায় এবং প্রধান কা-টি মাটির দিকে নুয়ে পড়ে। অনুপযোগী আবহাওয়ায় গাছ খুব সংবেদনশীল হয়। পোকামাকড় ও রোগবালাই এর প্রাদুর্ভাব বেড়ে যায়।

ব্যবহারঃ

ছোট টবের ক্ষেত্রে অর্থাৎ ১২ ইঞ্চি টপ এর ক্ষেত্রে ফুল গাছের জন্য আধা চামচ পরিমাণ পটাশ সার প্রতি তবে চারপাশে ছড়িয়ে দিতে হবে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি দিতে হবে। পটাশ সার মাটি তৈরিতে ৪ শতাংশ হারে মিশিয়ে দিতে পারেন। এছাড়াও এক চামচ পটার রাধারমন ইউরিয়া ৫ লিটার পানির সঙ্গে মিশিয়ে গাছে স্প্রে করতে পারেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published.