পটল

30th December 2019 0 Comments

পটল (ইংরেজি: pointed gourd, parwal/parval হিন্দি থেকে) এক ধরনের সবজি। এটি ভারতের পূর্বাঞ্চলে বিশেষ করে উড়িষ্যা, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, বিহার, উত্তর প্রদেশ এবং বাংলাদেশে ভাল জন্মায়। এতে প্রচুর পরিমাণে শর্করা, ভিটামিন এ ও সি আছে। এছাড়া এতে স্বল্প পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম, তামা, পটাসিয়াম, গন্ধক ও ক্লোরিন আছে।


পটল কিছুটা শসা ও ক্ষীরা গোত্রের উদ্ভিদ। এটি খেতেও উপাদেয়। পটল স্যুপ, তরকারী, ভাজা এমনকী মিষ্টান্ন প্রস্তুতিতেও ব্যবহৃত হয়।পটল দিয়ে নানা রকমের খাবার করা হয়।

পটলের উৎপাদনমাত্রা ভালো। ৪৫ থেকে ৫০ দিনের মধ্যে ফসল পাওয়া যায়। ৩ থেকে ৪ দিন পরপর পটল তোলা যায়। তরকারী হিসেবে পটলের বেশ চাহিদা আছে। পটলের শ্রমিক খরচ কম। পটল লম্বায় ৫-১৫ সেমি পর্যন্ত হয়ে থাকে। স্বল্পোষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ভাল জন্মায়। পটলের তরকারী বেশ উপকারী। পটলের বীজ ও মূল ঔষধি হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।


পুষ্টিগুন :

পটলে রয়েছে প্রচুর পরিমানে পুষ্টি । কারন প্রতি ১০০ গ্রাম পটলে রয়েছে ২.৪ গ্রাম প্রোটিন, ৪.১ গ্রাম শ্বেতসার, ০.৬ গ্রাম চর্বি, ৭৯০ মা.গ্রা. ক্যারোটিন, ০.৩০ মি.গ্রা. ভিটামিন বি-১, ০.০৩ মি.গ্রা. ভিটামিন বি-২, ২৯ মি.গ্রা. ভিটামিন সি, ২০ মি.গ্রা. ক্যালসিয়াম, ১.৭ মি.গ্রা. আয়রন, এবং ৩১ কিলো ক্যালরি খাদ্যশক্তি।


উপকারিতা :

১। পটলের বীজ চূর্ণ করে হালকা গরম দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য ভালো হয়।

২। পটলে ফাইবার থাকে  তাই পটল খেলে হজমশক্তি  বৃদ্ধি পায়।

৩। পটলের তরকারি খেলে ওজন কমে।

৪। নিয়মিত পটল খেলে রক্ত পরিষ্কার থাকে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে।

৫। ঠাণ্ডা, জ্বর ও গলা ব্যথা হলে পটলের বীচি চূর্ণ করে দুধের সাথে মিশিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

৬। পটলে ভিটামিন এ ও সি থাকে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে বলে ত্বকের জন্য উপকারী।

৭। পটলের রস মাথায় লাগালে মাথা ব্যাথা দূর হবে এবং যাদের অল্প বয়সে টাকের সমস্যা রয়েছে তাদের টাক সমস্যা দূর হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published.