নুনে শাক

29th October 2019 0 Comments

নুনে শাক একটি অনাবাদি উদ্ভিদ। আখ ক্ষেত ও মিশ্র ফসলের জমিতে জন্মায়।  ফাল্গুন থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত হয়।  নুনিয়া ও নুন খুড়িয়া শাক শাক দেখতে প্রায় একই রকম। তবে নুন খুড়িয়ার পাতা নুনিয়া শাকের চাইতে একটু ছোট হয়।
কাণ্ড মসৃণ, লাল রঙ বা লালচে সবুজ, মাটিতে বিস্তৃত কাণ্ড ও ডাল পালা পর্যান্বিত পাতা গিঁটে গিঁটে এবং ডগায় সাজানো।  হলুদ রঙের ফুল ৬ মিলিমিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। বৃষ্টিপাতের ওপর নির্ভর করে বছরের যে কোনো সময় ফুল ফোটে।পাতা গুচ্ছের মাঝখানে একটি করে ফুল ফোটে। সূর্যের অলো বিকশিত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরে ফুল ফোটে।ফল পাকার পরে ফেটে বীজ ঝরে পড়ে। লম্বা শিকড় মাটির গভীরে প্রবেশ করে এবং খরার সময় টিকে থাকে।

 

পুষ্টিগুণ:

এর পাতায় রয়েছে কার্বোঅক্সালিক এসিড, অক্সালিক এসিড, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-ই, থাইয়ামিন, রিবোফ্লাভিন, ক্যারোটিনসহ অন্যান্য প্রয়েোজনীয় উপাদান।এ শাকে যথেষ্ট পরিমানে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড আছে। প্রতিগ্রামে ০.০১ মিলিগ্রাম ইকোচ্যাপেনটানিক এসিডও রয়েছে।

 

উপকারিতাঃ

১। নুনে শাকে রয়েছে ক্যালসিয়াম এবং ম্যাগনিসিয়াম যা শরীরের হাড়কে মজবুত করে।

২। নুনে শাকে রয়েছে পটাশিয়াম যা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।

৩। চোখ উঠলে চোখে ময়লা জমে চোখ খোঁচা খোঁচা ভাব হয়। তাহলে নুনে শাকের রস দিলে সমস্যা দূর হয়ে যায়।

৪। নুনে শাকের রস কিছুক্ষণ মুখে ধরে রেখে ফেলে দিবেন এভাবে কিছুদিন ব্যবহার করলে তোতলামি ভালে হবে।

৫। বিষাক্ত কোন কিছু লেগে গা চুলকালে নুনে শাক বেটে উষ্ণ করে প্রলেপ দিলে জ্বালা ও চুলকানি ভালো হয়।

৬। নুনে শাক থেঁতো করে এই রস হালকা গরম করে সেবন করলে বাচ্চাদের কাশি ভালো হয়।

৭। নুনে শাক থেঁতো করে এই রস হালকা গরম করে মধুর সাথে মিশিয়ে সকাল বিকেল সেবন করলে আমাশয় ভালো হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published.