নিমের তেলের  উপকারিতা

3rd December 2019 0 Comments

আমাদের দেশে বিভিন্ন ধরনের গাছপালা আছে যেগুলোর ছাল, বাকল, তেল, ফল পাতা, শিকর শরীরের জন্য উপকারি। যেমন নিমের তেল আমাদের ত্বকের  জন্য অনেক উপকারি ।

ত্বকের পরিচর্যায় নিম অতুলনীয়। নিম তেল ব্যবহারে ত্বকের ভেতরকার কোলাজেনের উৎপাদন বেড়ে যেতে শুরু করে। এর ফলে ত্বক দ্রুত ফর্সা হয়। ত্বকের আর্দ্রতা ঠিক রাখতেও নিম তেল অনেক উপকারী। শুষ্ক ত্বক যাদের, তারা নিয়মিত এই তেল ব্যবহারে সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে।

প্রতিদিন নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে নিম তেল মিশিয়ে ভালো করে সারা শরীরে ম্যাসাজ করলে ত্বক সতেজ থাকবে। ব্রণের প্রকোপ কমাতে নিম তেলে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপার্টিজ থাকায় এটি মুখে লাগানো যায়, তাহলে ব্রণের সমস্যা কমতে শুরু করে।

কয়েক ফোঁটা নিম তেলের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা ল্যাভেন্ডার তেল মিশিয়ে ব্রণের ওপর লাগান। খেয়াল রাখবেন নিম তেল সরাসরি মুখে দেওয়া যাবে না। নিয়মিত নিম তেল দিয়ে ত্বক ম্যাসাজ করলে বলিরেখা পড়বে না। আর পড়লেও কমতে শুরু করে। সেই সঙ্গে ত্বকে টানটান ভাব বজায় থাকবে।

নিমে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি প্রপার্টিজ থাকার কারণে ত্বকের উন্মুক্ত ছিদ্র বন্ধ করতে দারুণ কাজে আসে।

নারকেল তেলের সঙ্গে নিম তেল মিশিয়ে মুখে লাগান, দেখবেন সমস্যা কমতে শুরু করে দিয়েছে। ত্বকে মেলানিনের পরিমাণ বাড়লেই আশঙ্কা বাড়ে হাইপারপিগমেন্টটেশনের। নিয়মিত শরীরে নারকেল তেলের সঙ্গে নিম তেল মিশিয়ে ব্যবহার করলে মেলানিনের মাত্রা কমে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই কমতে শুরু করে হাইপারপিগমেন্টটেশনও।

নিম তেল ব্যবহার করলে খুশকির সমস্যা দূর হয়ে যায়। সাধারণত ফাঙ্গাল ইনফেকশন হলে মাথার স্কাল্পে নানা সমস্যা হয়ে থাকে।

এ ছাড়া স্কাল্পের যেকোনো ধরনের সংক্রমণ কমাতেও নিম তেল উপকারী। সংক্রমণ কমাতে যে শ্যাম্পু ব্যবহার করেন, তাতে কয়েক ফোঁটা নিম তেল মিশিয়ে রোজ মাথায় লাগান। কয়েক দিনের মধ্যেই সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে।

 

Leave a Comment

Your email address will not be published.