দেশি ঘি কি স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর?

24th November 2019 0 Comments

গরম গরম ভাতের শরীর থেকে তখনও ধিক ধিক করে ধোয়াটা বেরচ্ছে। আর ঠিক পাশেই পা ছড়িয়ে শুয়ে প্রমাণ সাইজের বেগুন ভাজাটা। আরে দাঁড়ান দাঁড়ান এখনই কী শুরু করবে, আম্মার হাতে তৈরি ঘি আগে পাতে পরুক, তবে না শুরু হবে ভুরিভোজ। কিন্তু অনেকেই ভাবেন দেশি ঘি স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর,   এটি একটি ভ্রান্ত ধারণা। একটা সময় ছিল যখন গরম ভাতে কয়েক চামচ ঘি ছড়িয়ে দিয়ে খাওয়া শুরু করা হতো। দিনে দিনে সেই ঐতিহ্য হারিয়ে যাচ্ছে। কারণ অনেকেই মন করেন, ঘি খেলে ওজন বাড়ে। অথচ বিশুদ্ধ দেশি ঘিতে রয়েছে ৬৫ শতাংশ স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও ৩২ শতাংশ মুফা। মুফা কোলেস্টরল কমাতে সাহায্য করে। তাই দেশি ঘি অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর।
তাই  প্রতিদিন ঘি খাওয়ার অভ্যাসটা ছাড়বেন  না। বিশেষ করে রাতের বেলা গরম ভাতে ঘি মিশিয়ে খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

এছাড়াও ঘি এর পাশাপাশি অনেকেই ভাবেন ওজন কমাতে চিনির চাইতে মধু ভালো। অনেকেই ওজন কমাতে চিনির বদলে অনেকে মধু খেয়ে থাকেন। কিন্তু এতে আপনার ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে না। কারণ মধুতে চিনির চেয়ে বেশি ক্যালোরি থাকে। ১ টেবিল চামচ মধুতে প্রায় ৬৫ ক্যালরি থাকে। অন্য দিকে, একই পরিমাণ চিনিতে ক্যালরি থাকে ৪৬।
সেই সাথে ডিম খেলে কোলেস্টরল বাড়ে: এটাও একটি ভ্রান্ত ধারণা। একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির প্রতিদিন  ৩০০ এমজি কোলেস্টরল প্রয়োজন হয়। একটি ডিমে প্রায় ২১৫ এমজি কোলেস্টরল থাকে। ২০১২ সালের ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশন-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, অতিরিক্ত ডিম খেলেও হার্টের অসুখে তাতে সামান্যই প্রভাব পড়ে। ফলে বেশি না হলেও দিনে অন্তত একটা ডিমে ক্ষতি নেই।

Leave a Comment

Your email address will not be published.