দইগোটা গাছ

24th November 2019 0 Comments

দইগোটা(Achiote বা lipstick tree) একটি ছোট গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Bixa orellana। দইগোটা গাছের সঠিক পরিচয় অনেকের অজানা। কেউ কেউ জাফরান বলেও ভুল করেন। আদতে জাফরান বর্ষজীবী ও পিঁয়াজকন্দীয় গাছ। জন্মে শীতের দেশে। আমাদের দেশে জাফরান চাষ হয় না। তাছাড়া আকার-আকৃতিতেও গাছ দুটি একেবারেই আলাদা। আলোচ্য গাছটি মূলত দইগোটা নামেই বেশি পরিচিত। এই ফুলে পাপড়ির কিঞ্চিত গোলাপি আভা যেন স্নিগ্ধতার পরশ বুলিয়ে দেয় হৃদয়-মনকে। ফুলের মাঝে ঘন পুংকেশরগুলো কুকড়িয়ে ফুলের সৌন্দর্য্যকে আরো বাড়িয়ে দেয়। এ গাছের ফলগুলোও বেশ সুন্দর। ফলগুলো লাল বর্নের এবং এর ত্বক স্পাইনযুক্ত। এর বীজ থেকে হলুদাভ-কমলা বর্ণের রঞ্জক (বিক্সিন) পাওয়া যায়। কিছু দেশে এর রঞ্জক শরীর, বিশেষ করে ঠোট রং করার কাজে ব্যবহার করা হয়, তাই এর ডাকনাম হচ্ছে- লিপস্টিক গাছ। এর রঞ্জক মিস্টি দইয়ের রং করতে ব্যবহৃত হয়। এজন্যে এ গাছকে আঞ্চলিকভাবে দই-গোটা গাছ বলে। এই গাছ বাংলাদেশের সর্বত্র জন্মায়।  দই গোটা ঔষধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

উপকারিতাঃ

১। মেয়েদের মাথার চুল লাল হলে দইগোটার বীজ থেঁতো করে মাথায় দিলে চুল কালো হয়।

২। দইগোটা গাছের শিকড় সিদ্ধ করে এই ক্বাথ মাইক্রোবিয়াল দ্বারা সৃষ্ট সংক্রমণে ব্যবহার করা হয়।

৩। প্রমদ রোগ দেখা দিলে দইগোটা গাছের ফলের শ্বাস খেলে উপকার পাওয়া  যায়।

৪। মৃগীরোগ দেখা দিলে দইগোটা গাছের শিকড় সিদ্ধ করে এই ক্বাথ সকাল বিকেল সেবন করলে উপকার পাওয়া যায়।

 

অনলাইনে গাছপালা কোথায় পাওয়া যায়ঃ

 

নার্সারির পাসাপাসি গাছপালা কিনতে পারবেন এখন অনলাইনে ।গাছপালা কিনতে ভিজিট করুন নিচে দেয়া নার্সারী লেখার উপর এবং অর্ডার করতে পারেন দেশের যেকোন প্রান্ত থেকেঃ

 

নার্সারি

 

Leave a Comment

Your email address will not be published.