তেলাকুচা উদ্ভিদ

14th November 2019 0 Comments

তেলাকুচা একটি লতানো উদ্ভিদ। তেলাকুচা ফলকে কুঁদরী বলা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের প্রায় সর্বত্র প্রাকৃতিকভাবে তেলাকুচা জন্মে থাকে। তেলাকুচা Cucurbitaceae পরিবারভুক্ত। এর বৈজ্ঞানিক নাম Coccinia grandis। এটি গাঢ় সবুজ রঙের নরম পাতা ও কাণ্ডবিশিষ্ট একটি লতাজাতীয় বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। লতার কাণ্ড থেকে আকশীর সাহায্যে অন্য গাছকে জড়িয়ে উপরে উঠে। পঞ্চভূজ আকারের পাতা গজায়, পাতা ও লতার রং সবুজ।
তেলাকুচা, বসতবাড়ির আশেপাশে, রাস্তার পাশে, বন-জঙ্গলে জন্মায় এবং বংশবিস্তার করে। সাধারণত বাংলা চৈত্র-বৈশাখ মাসে তেলাকুচা রোপন করতে হয়। পুরাতন মূল শুকিয়ে যায় না বলে গ্রীস্মকালে মৌসুমী বৃষ্টি হলে নতুন করে পাতা গজায় এবং কয়েক বছর ধরে পুরানো মূল থেকে গাছ হয়ে থাকে। শীতকাল ছাড়া সব মৌসুমেই তেলাকুচার ফুল ও ফল হয়ে থাকে। ফল ধরার ৪ মাস পর পাকে এবং পাকলে টকটকে লাল হয়।

 

চাষ পদ্ধতিঃ

 

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে তেলাকুচার চাষ হয়ে থাকে। এর ফল ও কচি ডগা খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় সেখানে। শিকড়সহ লতা এনে রোপণ করলে অতি সহজেই তেলাকুচা গাছ জন্মে। এর বীজ থেকেও চারা তৈরি করা যায়। দুই থেকে আড়াই ফুট দুরত্বে বাণিজ্যিক চাষাবাদ করা যায়। বেলে বা দোঁআশ মাটিতে ভালো চাষ হয়। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে বৃষ্টি হলে তেলাকুচার বীজ বপন করতে হয়। বীজ তলার মাটি আগে ঝুরঝুরে করে নিতে হয়। বীজ বপনের ১০-১৫ দিনের মধ্যে চারা গজিয়ে থাকে।

 

পুষ্টিঃ

 

তেলাকুচায় প্রচুর বিটা-ক্যারোটিন আছে।

তেলাকুচা নানারকম উপকারিতা রয়েছে চলুন দেখে নেয়া যাক :

১। অনেক সময় হঠাৎ করে আমাদের মাথা ঘুরে যায়। তখন যদি কেউ তেলাকুচা পাতার রস কপালে ও মাথায় মাখলে খুব দ্রুত মাথা ঘোরা ভালো হয়ে যায়।

২। প্রায় সময় জিভে ক্ষত দেখা যায়। তাহলে তেলাকুচা চিবিয়ে ফেলার সময় মুখে যে লালা আসে। সেই লালা যদি জিভে প্রলেপ আকারে দিলে, জিভের ক্ষত দূর হয়ে যায়।

৩। তেলাকুচা পাতার রস করে খেলে এবং তেলাকুচার পাতা বেটে সেই স্থান গুলোতে মাখলে চর্মরোগ ভালো হয়ে যায়।

৪। তেলাকুচা পাতার রস হাত পায়ে মালিশ করলে হাত -পায়ের জ্বালা কমে যাবে।

৫। তেলাকুচা পাতার রস গরম করে খেলে আমাশয় রোগ ভালো হয়।

 

 

অনলাইনে গাছপালা কোথায় পাওয়া যায়ঃ

 

নার্সারির পাসাপাসি গাছপালা কিনতে পারবেন এখন অনলাইনে ।গাছপালা কিনতে ভিজিট করুন নিচে দেয়া নার্সারী লেখার উপর এবং অর্ডার করতে পারেন দেশের যেকোন প্রান্ত থেকেঃ

নার্সারি

 

 

Leave a Comment

Your email address will not be published.