ডায়াবেটিস এ তেজপাতার স্বাস্থ্যগুণ

ডায়াবেটিস এ তেজপাতার স্বাস্থ্যগুণ

ডায়াবেটিস কখনও ভালো হয় না। তবে এইরোগ নিয়ন্ত্রণে রাখলে ভালো থাকা যায়। ডায়াবেটিস ধরা পড়লে অনেকেই আতঙ্কিত হন। তবে আপনি জানেন কী আপনার হাতের কাছেই আছে একটি পাতা। যা আপনার ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করবে। রান্নার স্বাদ বাড়াতে তেজপাতা ব্যবহার করা হলেও ডায়াবেটিস কমাতেও তেজপাতা খুবই উপকারি। এছাড়াও তেজপাতার রয়েছে হাজারও গুণ।

আসুন তাহলে এবার এক নজরে দেখে নেওয়া যাক তেজপাতার স্বাস্থ্যগুণঃ

হজমশক্তি বাড়ায়: তেজপাতা শরীরের হজমপ্রক্রিয়াকে দ্রুত করার মাধ্যমে খাবারের পুষ্টি উপাদানগুলো ভালোভাবে পরিপাক করতে সহায়তা করে। পেটফাঁপা, বদহজম, বুক জ্বালাপোড়া ইত্যাদির চিকিৎসায় তেজপাতা ব্যবহৃত হয়ে থাকে। তেজপাতার মাধ্যমে খাবারে ঝালভাব এনে রুচি বর্ধণ করার ক্ষেত্রে উপকারী।

সর্দিকাশি বা ফ্লু এড়াতে: তেজপাতার ‘অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল’ উপাদান শ্বাসযন্ত্রের বিভিন্ন প্রদাহ কামাতে সহায়ক। সর্দিকাশি, কফ এবং ফ্লু থেকে মুক্তি পেতে তেজপাতা সিদ্ধ করে খেতে কিংবা বুকে মাখা যেতে পারে।

 

শরীরের বিভিন্ন ব্যথা কমাতে: শরীরের বিভিন্ন ধরণের ব্যথা বা ফুলে যাওয়া উপশম করতে তেজপাতার এসেনসিয়াল অয়েল বেশ উপকারী। ব্যথাযুক্ত জোড়া কিংবা টান পড়া মাংসপেশিতে তেলটি মালিশ করতে পারেন। মাথাব্যথা বা মাইগ্রেইনের ব্যথা সারাতেও এই তেল ব্যবহার করা যায়।

ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি এবং কিডনিতে পাথর হওয়া রুখতে: কিডনির বিভিন্ন প্রদাহ রুখতে তেজপাতা পানিতে সিদ্ধ করে খেলে উপকার মিলবে। যাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার আশঙ্কা আছে তাদের জন্যও এটি বেশ উপকারী।

হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে: তেজপাতার মাধ্যমে ঝালভাব আনা স্বাস্থ্যকর রান্নার পদগুলো খাওয়ার মাধ্যমে কমতে পারে হৃদরোগের ঝুঁকি। কারণ তেজপাতায় থাকা বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপদান স্বাস্থ্য এবং হৃদপিণ্ড ভালো রাখতে সাহায্য করে।

Leave a Comment

Your email address will not be published.