টিউলিপ বর্ষজীবি ও বসন্তকালীন ফুল হিসেবে পরিচিত।এটি মুকুল থেকে জন্মায়। বিভিন্ন প্রজাতিতে এর উচ্চতা ভিন্নরূপ হয়। সচরাচর ৪ ইঞ্চি (১০ সে.মি.) থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২৮ ইঞ্চি (৭১ সে.মি.) পর্যন্ত উচ্চতাসম্পন্ন হয়। অধিকাংশ টিউলিপই ডাঁটা থেকে একটিমাত্র মুকুলের মাধ্যমে বিকশিত হয়। কিন্তু কিছু প্রজাতিতে (যেমন – টিউলিপা তুর্কেস্টানিকা) কয়েকটি ফুল হতে পারে। জমকালো ও আড়ম্বরপূর্ণ ফুলগুলো সাধারণতঃ কাপ কিংবা তারার আকৃতি হয়ে থাকে। এর তিনটি পুষ্পদল এবং তিনটি বহিঃদল রয়েছে। ফলে এর অভ্যন্তরভাগ গাঢ় রঙের দেখায়। টিউলিপে খাঁটি নীলাভ রঙ ব্যতীত বিভিন্ন রঙের হয়। এর ফল মোড়কে ঢাকা। পাতা থাকতে পারে। সাধারণত দুই থেকে ছয়টি পাতা থাকে। প্রজাতিভেদে এ পাতার সংখ্যা সর্বোচ্চ ১২টি হতে পারে। পাতাগুলো নীলাভ সবুজ রঙের হয়। টিউলিপ গাছ বাংলাদেশে পাওয়া যায়। ভেষজ গুণে ভরপুর এই গাছ।

 

বাংলাদেশে টিউলিপ চাষের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয় হলো ঃ

 

১) টিউলিপ বাল্বকে মাটিতে লাগানোর আগে অবশ্যই প্রি-কুল্‌ড হতে হবে বা কোল্ড শক দিতে হবে।

২) টিউলিপের প্রি-কুল্‌ড বাল্বকে বছরের সবচাইতে ঠান্ডা সময়ে লাগাতে হবে।

৩) টিউলিপ ফোটা শেষ হয়ে গেলে একটি নির্দিষ্ট সময়ে বাল্বকে উঠিয়ে ফেলতে হবে এবং পরবর্তী সময়ে চাষের জন্য অবশ্যই আবার প্রি-কুল করতে হবে।

 

উপকারিতাঃ

১। টিউলিপে বিদ্যমান যৌগ মেটাবলিজমকে উন্নত করে এবং দেহের বিষ দূর করে যা ওজন কমাতে খুবই কার্যকরি।

২। হতাশা এবং মানসিক চাপ সাধারণত আসে অনিদ্রা এবং বিশ্রামহীনতার অভাবে যা অত্যন্ত বিরক্তবোধ এবং উদাসীনতা সৃষ্টি করে। টিউলিপের পাপড়ি এবং এর নির্যাস এই ধরনের সমস্যা দূর করনে অধিক কার্যকরি।

৩। টিউলিপের পাপড়ির দুটি উপকারী ডোজ আপনার দেহ, মন, হৃদপিন্ড এবং নার্ভাস প্রক্রিয়াকে পরিচালিত করতে সহায়তা করে।

৪। পাইলসের সমস্যা দূর টিউলিপ ফুলের রস খুবই উপকারী।

৫। ত্বকের সুরক্ষায় টিউলিপ অনেক উপকারী বিশেষ করে সেনসিটিভ ত্বকের রুক্ষতা দূর করতে, ত্বকের তৈলাক্ততা সমাধানে, ত্বককে সফট করতে খুবই কার্যকরি।

 

অনলাইনে গাছপালা কোথায় পাওয়া যায়ঃ

 

নার্সারির পাসাপাসি গাছপালা কিনতে পারবেন এখন অনলাইনে ।গাছপালা কিনতে ভিজিট করুন নিচে দেয়া নার্সারী লেখার উপর এবং অর্ডার করতে পারেন দেশের যেকোন প্রান্ত থেকেঃ

 

নার্সারী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *