চিনা বটেরা

চিনা বটেরা
3rd October 2019 0 Comments

চিনা বটেরার আকৃতি প্রকৃতি প্রায় সাধারণ গৃহপালিত কোয়েলের মতই। এদের পালক মেটে রঙের। মাথা গাঢ় বর্ণের তাতে অনেকগুলো সাদা দাগ। সাদা মোটা ভ্রু ঘাড়ে গিয়ে ঠেকেছে আর চোখ-ডোরা ঠোঁটে গিয়ে ঠেকেছে। পিঠ আর ডানা সাদা দাগযুক্ত। বুকে অনেকটুকু অংশ ঘিরে কালো দাগ থাকে। চোখ বাদামী বর্ণের, পা সাদা, ঠোঁট সীসা বর্ণের। এমনিতে স্ত্রী ও পুরুষ বটেরা দেখতে একই রকম, তবে পুরুষের কালো দাগটি বেশি বড়। জলার তিতিরের দৈর্ঘ্য কমবেশি ১৮ সেন্টিমিটার। 

 

আচরণ

গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঘাসবন আর পাহাড়ী শুষ্ক বনাঞ্চল চিনা বটেরার পছন্দের বিচরণস্থল। বাদাম, ঘাস ও আগাছার বীজ, পোকামাকড় আর তাদের লার্ভা এদের প্রধান খাদ্য। বালুতে গোসল করতে পছন্দ করে। পুরুষ বটেরা বেশি ডাকে। সাধারণত পর পর দুইবার হুইট-হুইট শব্দে ডাকে। অনেক সময় ধাতব চ্রিঙ্ক-চ্রিঙ্ক শব্দে ডাকে। সকাল আর সন্ধ্যায় বেশি ডাকে। প্রজনন ঋতুতে রাতেও ডাক শোনা যায়। 

খাদ্য

মুক্ত পালনের ক্ষেত্রে বাইরে পড়ে থাকা খাদ্য খায়। দানাদার শস্য, ভাত, শাকসবজির উচ্ছিষ্টাংশ, ভুসি, কুঁড়া, ঘাস, লতাপাতা,পোকামাকড় ইত্যাদি কুড়িয়ে খায়। আবদ্ধ ও অর্ধমুক্ত পালনের জন্য ব্রয়লার ও লেয়ার মুরগির ক্রয় করা খাদ্য বা ফিডার খাওয়াতে হয়। দৈনিক ১১৮-১২১ গ্রাম খাদ্য খায়।

প্রজনন

সাধারণত বর্ষাকাল এদের প্রজনন ঋতু। স্থানভেদে প্রজনন ঋতুর বিভিন্নতা দেখা যায়। তবে মার্চ থেকে অক্টোবর এদের প্রজনন ঋতু। ফসলের গোড়ায়, তৃণভূমির ছোট খাদ, ছোট ঝোপঝাড় কিংবা সমতল ঘাসবনে এরা বাসা করে। বাসা বানানো হয় ঘাসের ডগা দিয়ে। বাসা বানানো শেষে ৪ থেকে ৬টি ডিম পাড়ে, এর বেশিও ডিম পাড়ে। এক বাসায় অন্য স্ত্রী বটেরাও এসে ডিম পাড়ে। ১৬ থেকে ১৯ দিন পর ডিম ফুটে ছানা বের হয়। ছানা ফোটার পর বাবা বটেরা অনেক আগ্রাসী হয়ে ওঠে। স্ত্রী ও পুরুষ বটেরা দুজনেই ছানা প্রতিপালন করে। ছানারা আট মাস বয়স পর্যন্ত বাবা-মার সাথে থাকে।

 

অনলাইনে পাখি কোথায় পাওয়া যায়ঃ

দোকানের পাশাপাশি পাখি এখন অনলাইনে অর্ডার করে কিনতে পারবেন। অর্ডার করতে নিচে দেয়া পাখি লেখার উপর ক্লিক করুনঃ

 

পাখি

Leave a Comment

Your email address will not be published.