কেঁচো সার কি?

20th November 2019 0 Comments

কেচো সার খেয়ে মল হিসাবে জা ত্যাগ করে তাই কেচো সার। তরিতরকারি ফেলে দেওয়া অংশ, ফল্মুলের খোসা, উদ্ভিদের লতাপাতা, পশুপাখির নাড়িভুঁড়ি খেয়ে কেচো জমির জন্য সার তৈরি করে। এ সার সব ধরনের ফসল ক্ষেতে ব্যবহার করা যায় ।

কেঁচো সারের বৈশিষ্ট্যঃ

জৈব পদার্থ দিয়ে সাধারণত সার তৈরির পরিবর্তে কেঁচো সার তৈরি করলে এর পুষ্টি মান সাত থেকে ১০ গুন বাড়ে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনিস্টিটিউট ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মাটি, পানি ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের গবেষণারে রাসায়নিক বিশেষণে দেখা যায়, এর মধ্যে জৈব পদার্থ ২৮ দশমিক ৩২ ভাগ, নাইট্রোজেন ১ দশমিক ৫৭ ভাগ, ফসফরাস ১ দশমিক ২৬ ভাগ, পটাসিয়াম ২ দশমিক ৬০ ভাগ, ক্যালসিয়াম ২ ভাগ, ম্যাগনেসিয়াম দশমিক ৬৬ ভাগ, সালফার দশমিক ৭৪ ভাগ, আয়রন ৯৭৫ পিপিএম, ম্যাংগানিজ ৭১২ পিপিএম, বোরন ০.০৬ ভাগ, জিংক ৪০০ পিপিএম, কপার ২০ পিপিএম রয়েছে।

কেঁচো কম্পোস্ট সারের উপকারিতাঃ

এ সারের গাছের অত্যাবশ্যকীয় ১৬ টি খাদ্য উপাদান  ১০ টিই বিদ্যমান। এ ছাড়া এর মধ্যে গাছের অত্যাবশ্যকীয় কয়েকটি হরমোন ও এনজাইম রয়েছে, যা গাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও ফলের বর্ণ, গন্ধ, স্বাদ সহ অন্যান্য গুনগত মান উন্নত রাখে। কেঁচো সার বীজের অংকুরোধগমে সহায়ক । এ সার ব্যবহারে ফসলের উৎপাদন খরচ কমে ও সব ফসলেই ব্যবহারযোগ্য। বেলে- দোআঁশ মাটিতে এর কার্যকারিতা বেশি ফলদ গাছ বা উচু জমির ফসলের পরপর তিনবার কেঁচো সার ব্যবহার করলে ডিম থেকে উৎপন্ন কেঁচো ঐ স্থানে নিজে থেকেই সার উৎপাদন করতে থাকে। ফলে পরবর্তী দু-তিনটি ফসলে সার ব্যবহার না করলেও চলে। উৎপাদন ও ফসলের গুণাগুণ বৃদ্ধি পায়। তুলনামুলকভাবে উৎকৃষ্ট ও বড় আকারের ফল বা সবজি পাওয়া যায়। মাটির পানি ধারন ক্ষমতা বাড়ায়, ফলে কেঁচো সার ব্যবহারে সেচের পানি কম লাগে। ক্ষারীয় লবনাক্ত মাটিতেও চাষাবাদ সম্ভব। রোগ ও পোকামাকড়ের উপদ্রব কম হয়।  জমিতে আগাছার ঝামেলা কম হয়। ফসলের বীজের অঙ্কুরোদ্গম ক্ষ্মতা বাড়ে। অধিক কুশি, অধিক ছড়া, ও দানা গঠন হয়। মাটির বুনট উন্নত হয়। রাসায়নিক সারের চাইতে খরচ অনেক কম হয়। পরিবেশ দূষণমুক্ত থাকে।

 

অনলাইনে জৈব সার কোথায় পাওয়া যায়ঃ

দোকানের পাশাপাশি জৈব সার এখন কিনতে পারবেন অনলাইনে। কিনতে ক্লিক করুন নিচে দেয়া  জৈব সার লেখার উপর।

জৈব সার

Leave a Comment

Your email address will not be published.