কুইক কম্পোস্ট সারের উপকারিতা

4th January 2020 0 Comments

রাসায়নিক সার ও কীটনাশকের ব্যবহার বাড়ায় মাটির স্বাস্থ্য আজ হুমকীর সম্মুখীন। অপরিকল্পিত মাত্রায় রাসায়নিক সার ব্যবহার হওয়ায় ফসলের ফলনে যেমন বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে তেমনি উৎপাদন ব্যয় ও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফসলের ফলন বৃদ্ধি ও ব্যয় হ্রাস করতে এবং মাটির স্বাস্থ্য জৈব সার ব্যবহার তাই নিশ্চিত করতে হবে।কুইক কম্পোস্ট হলো এমন একটি জৈব সার যা স্বল্প সময়ে তৈরি করা যায় এবং এর মধ্যে গাছের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদানও বেশি থাকে।

পুষ্টি উপাদান:

কুইক কম্পোস্টের প্রতি ১০০ কেজিতে ২.৫৬% নাইট্রোজেন, ০.৯৮% ফসফরাস, ০.৭৫% পটাশিয়াম পাওয়া যায়। তাছাড়া পরিমিত মাত্রায় ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং অন্যান্য গৌন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়।

কুইক কম্পোস্ট সারের উপকারিতা: 

সাধারণ কম্পোস্ট সার তৈরি করতে ২ থেকে ৩ মাস লেগে যায়। কৃষক পর্যায়ে সবসময় সাধারণ কম্পোস্ট সার প্রস্তুত করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই কুইক কস্পোস্ট সার খুব কম সময়ে এবং সহজ উপায়ে তৈরি করা যায় অর্থাৎ মাত্র ১৪-১৫ দিন সময়েই কুইক কম্পোস্ট সার তৈরি করা যায়। ইহা মাটিতে পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। উদ্ভিদের পুষ্টি উপাদান সহজলভ্য করে। মাটিতে থাকা অনুজীবের ক্রিয়াকলাপ বৃদ্ধি করে। গাছের শিকড় ও অঙ্গজ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। সবজি ফসলে মালচিংয়ের কাজ করে। সর্বোপরি মাটির উর্বরতা সুরক্ষা করে এবং ফসল উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

Leave a Comment

Your email address will not be published.