কসমস ফুল

2nd November 2019 0 Comments

মৌসুমি ফুল হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। শীতের প্রায় সব বাগানেই দেখা যায়। প্রাচীনত্বের দিক থেকে ডালিয়া বা গাঁদার কাছাকছি। এ কারণেই সারাদেশে সহজলভ্য। কেউ কেউ শখ করে ঘরের আঙিনায়ও চাষ করেন। ফুলের কথা বাদ দিলেও শুধু পাতার সৌন্দর্যেও এরা অনন্য। বিভিন্ন রঙের মিশ্রণে তৈরি করা হয় এদের বেড। কসমস গাছ ২ থেকে ৪ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট হয়। গোলাপি, সাদা, বেগুনিসহ বিভিন্ন কালারের হয়ে থাকে। এককভাবে বা বিচ্ছিন্নভাবে এ ফুল ততটা আকর্ষণীয় নয়। শীতের ঝলমলে রোদে অনেকদূর থেকেই নজর কাড়ে কসমস। এ ফুল ছাড়া মৌসুমি ফুলের বাগান অনেকটা অসম্পূর্ণ।

কোনো কোনো বাগানে বর্ণবৈচিত্র্য তৈরির জন্য বেশ কয়েকটি বেড তৈরি করা হয়।পার্ক ও উদ্যানের পাশাপাশি বিভিন্ন অফিস প্রাঙ্গণেও কসমসের বর্ণিল শোভা নজর কাড়ে। শীতের শেষের দিকে কিছু ফুল গাছেই শুকিয়ে যেতে দিন। পরে ডাল সহ কেটে উল্টো করে ঝুলিয়ে শুকাতে দিন। কসমস ফুল বাংলাদেশ সহ ভারতে জন্মে।

 

উপকারিতাঃ

১। কসমস গাছের পাতা নিয়ে থেঁতো করে পানিতে মিশিয়ে চিনি মিশিয়ে সকাল-বিকেল খেলে প্রসাবের জ্বালা যন্ত্রণা কমে।

২। কসমস গাছের পাতা বেটে ফোড়ার ওপর প্রলেপ দিলে বিষফোড়া দ্রুত ভালো হয়। ৩। কসমস গাছের পাতা থেঁতো করে অল্প পানিতে দইয়ের মতো হলে গায়ে মাখলে চুলকানি ভালো হয়।

৪। কসমস গাছের মূল বেটে ঘিয়ের সাথে গরম করে জিভে লাগালে জিভের ক্ষত ভালো হয়।

 

 

অনলাইনে বীজ কোথায় পাওয়া যায়ঃ

দোকানের পাশাপাশি এখন অনলাইনে বীজ কিনতে পারবেন। কিনতে নিচে বীজ লেখা লিঙ্কের উপর ক্লিক করুনঃ

বীজ

 

Leave a Comment

Your email address will not be published.