করমচা

25th October 2019 0 Comments

আয় বৃষ্টি ঝেপে, ধান দেব মেপে। লেবুর পাতায় করমচা, ঝড়-বৃষ্টি ঝরে যা। ছোটবেলায় এই ছড়া আমরা অনেকেই পড়েছি। কিন্তু এখনো অনেকেই হয়ত সেই করমচা ফলটাই দেখিনি। যদিও বতর্মান সময়ে ঔষধি এই ফলটি দেশের অনেক এলাকায় বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে। বৃষ্টি ভেজা করমচা ফল, পাতা ও গাছ দেখতে সত্যিই অসাধারণ। করমচা ফলের গাছ বাংলাদেশের প্রায় সব জায়গাতেই কমবেশি দেখা যায়। আমাদের বাড়ির আঙিনায় তেমন কোনো পরিচযার্ ছাড়াই এই করমচা চাষ করা যায়। ফলনও বেশ ভালো হয়। গাছে যখন ফুল আসে দেখতে অনেকটা বকুল ফুলের মতো। এই ফুল থেকে ফল হয়। ফলের রং প্রথম দিকে হয় সবুজ অথবা সাদাটে। তারপর ক্রমেই লালচে হতে শুরু করে। সম্পূণর্ পেকে গেলে এটি গাড় লাল থেকে কাল বণর্ ধারণ করে। এ সময় ফলটি মুখে দিলে লাল রসে ভরে যায়। খেতেও খুব ভালো লাগে। টক-মিষ্টি স্বাদ। তবে ফলটি পাকার আগে যখন এর বণর্ সবুজ থাকে তখন এতে কঁাঠালের মতো সাদা আঠা জাতীয় পদাথর্ থাকে। এ সময় খেতে টক লাগে।

করমচার পুষ্টিগুণঃ

প্রতি ১০০ গ্রাম করমচায় রয়েছে, শর্করা-১৪ গ্রাম, প্রোটিন-০.৫ গ্রাম, ভিটামিন এ-৪০ আইইউ, ভিটামিন সি- ৩৮ মিলিগ্রাম, রিবোফ্লেভিন-০.১ মিলিগ্রাম, নিয়াসিন-০.২ মিলিগ্রাম, আয়রন-১.৩ মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম-১৬ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম-২৬০ মিলিগ্রাম, কপার-০.২ মিলিগ্রাম।

করমচার চাষে মাটিঃ

 বাংলাদেশের প্রায় সব জায়গায় সমতল ভূমিতে করমচা চাষ করা যায়। করমচা চাষে জমি উঁচু হলে ভালো হয়, তবে নিচু জমিতেও চাষ করা যায় যদি পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকে।

করমচার চাষে ফুল ফলঃ

করমচা গাছে ফেব্রুয়ারি মাসে ফুল আসে এবং ফল ধরে এপ্রিল-মে মাসে। বর্ষায় ফল পাকে।

করমচার চাষে রোপণ পদ্ধতিঃ

 বর্ষাকালে চারা রোপণ করা ভালো। গাছ লাগানোর ১৫-২০ দিন আগ থেকে গর্ত তৈরি করতে হবে। বাগানে চাষ করতে হলে গর্ত তৈরির আগে ৩০ সেন্টিমিটার গভীর করে জমি চাষ দিতে হবে। গর্তের মাঝখানে চারা বসিয়ে সেচ দিতে হবে। চারার গোড়ায় মাটি শক্তভাবে চেপে দিতে হবে, যাতে গাছ পড়ে না যায়।

 

অনলাইনে গাছপালা কোথায় পাওয়া যায়ঃ

 

নার্সারির পাসাপাসি গাছপালা কিনতে পারবেন এখন অনলাইনে ।গাছপালা কিনতে ভিজিট করুন নিচে দেয়া নার্সারী লেখার উপর এবং অর্ডার করতে পারেন দেশের যেকোন প্রান্ত থেকেঃ

 

নার্সারী

Leave a Comment

Your email address will not be published.