ঈশের মূল

29th October 2019 0 Comments

ঈশের মূল একটি লতানো গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। এটি বলকারক এবং গর্ভনাশক। বহুবর্ষজীবী সবুজাভ সাদা প্যাঁচানো লতা, গোড়ার দিকে কাষ্ঠল। পাতা সরল। ফুল স্বল্পসংখ্যক। পত্রকোণে হয়, ফুলের আকৃতি ফানেলের মতো, রোমহীন হালকা সবুজ চ্যাপ্টা এবং খন্ডিত গোড়া সরু হয়ে একটি নলে পরিণত হয়, যা আনুভূমিক চোঙাকৃতি মুখে শেষ হয়। ঠোঁটটি পার্পল-ছাপযুক্ত কেশে আবৃত। ফল গোলাকার, বীজ ত্রিকোণাকার। ফুল ও ফল বর্ষায়। বীজ থেকে চারা হয়। ভারত, শ্রীলংকা ও নেপালে সহজলভ্য। বাংলাদেশ জাতীয় আয়ুর্বেদিক ফর্মুলারি ১৯৯২-তে প্রধান চারটি রোগে এ গাছের ব্যবহারের কথা উল্লেখ আছে। দুই বছর বয়সী গাছ থেকে প্রায় ৫৫০০ কেজি পরিমাণ শিকড় পাওয়া যায়। এই গাছের পাতা ও মূল নানারকম ঔষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

 

উপকারিতাঃ

১। কাঁপানো জ্বরে হলে ঈশের মূল চূর্ণ আধা কাপ গরম পানিতে ভিজিয়ে রেখে ২ ঘণ্টা পর ছেঁকে সকালে ও বিকেলে একবার করে এই পানি পান করলে জ্বর সেরে যায়।

২। অজীর্ণদোষে ঈশের মূল চূর্ণ করে গরম পানির সঙ্গে খেলে উপকার পাওয়া যায়। ৩। শিশুদের দাঁত ওঠার সময় জ্বর ও পেটের পীড়া দেখা দিলে ঈশের মূল চূর্ণ সকাল-বিকেল খাওয়ালে উপকার পাওয়া যায়।

৪। ঈশের পাতার রস সাপের বিষ নাশ করে। দংশিত স্থানে পাতা ও মূল বেঁটে প্রলেপ দিলে বিষ নেমে যায়।

৫। ঈশের গাছের রস খেলে কুষ্ঠ রোগ ভালো হয়। ৬। বাতব্যথা সারানোর কাজেও ব্যবহূত হয়। শিকড়ে জন্ম নিরোধ কার্যকারিতা আছে।

 

 

 

Leave a Comment

Your email address will not be published.