আধুনিক পদ্ধতিতে লেবুর চাষ

7th December 2019 0 Comments

লেবুর উৎপত্তি অজানা, যদিও লেবুগুলি প্রথম আসামে (উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি অঞ্চল), উত্তর বার্মা বা চীনে জন্মেছিল বলে ধারণা করা হয়। লেবুর জিনোমিক গবেষণায় ইঙ্গিত দেওয়া হয় যে এটি তিক্ত কমলা (টক কমলা) এবং সিট্রনের মধ্যে একটি সংকর।

লেবুর জাত

উচ্চ ফলনশীল জাত বারি লেবু ১ ও বারি লেবু ২। পরিচর্যা পেলে বারি লেবু ১ বছরে দুবার ফলন দিলেও বারি লেবু ২ সারা বছর ফলন দেয়। পূর্ণবয়স্ক গাছ ১৫০টি পর্যন্ত ফল দিয়ে থাকে।

বারি লেবু ৩ জাতের লেবুর রসের পরিমাণ বেশি। বছরে দুবার ফল পাওয়া যায়।

মাটি:

হালকা দোআঁশ ও নিষ্কাশন সম্পন্ন মধ্যম অম্লীয় মাটিতে লেবু ভাল হয়।

রোপণ পদ্ধতি:

গুটি কলম ও কাটিং তৈরি করে মধ্য-বৈশাখ থেকে মধ্য-আশ্বিন (মে-সেপ্টেম্বর) মাসে ২.৫*২.৫ মিটার দূরত্বে রোপণ করা হয়।

সারের নাম/সারের পরিমাণ/গাছ পতি:

ইউরিয়া ৪৫০-৫৫০গ্রাম, টিএসপি ৩৭৫-৪২৫ গ্রাম, এমপি ৩৭৫-৪২৫ গ্রাম, গোবর ১৫-২০ কেজি।

সার প্রয়োগ পদ্ধতি:

প্রথম কিস্তি মধ্য-ভাদ্র থেকে মধ্য কার্তিক (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) মাসে, ২য় কিস্তি মধ্য মাঘ-মধ্য ফাল্গুন (ফেব্রুয়ারি) মাসে এবং ৩য় কিস্তি মধ্য-জ্যৈষ্ঠ থেকে মধ্য-আষাঢ় (জুন) মাসে প্রয়োগ করতে হবে।

অঙ্গ ছাঁটাই:

প্রতি বছর মধ্য-ভাদ্র থেকে মধ্য-কার্তিক  (সেপ্টেম্বর-অক্টোবর) মাসে গাছের অবাঞ্ছিত শাখা ছাঁটাই করতে হবে।

পানি সেচ ও নিষ্কাশন:

খরা মৌসুমে ২-৩ বার সেচ প্রয়োগ করা দরকার। জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না বিধায় বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টিপাতের সময় গাছের গোড়ায় যাতে পানি না জমে সে জন্য নালা করে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে।

অন্যান্য পরিচর্যা:

লেবুর প্রজাপতি পোকা দমন: এ পোকার কীড়া পাতা খেয়ে ফেলে। এ জন্য ফলন ও গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।

প্রতিকার:

১. ডিম ও কীড়াযুক্ত পাতা সংগ্রহ করে মাটির নিচে পুঁতে বা পুড়ে ফেলতে হবে।

২. ডাইমেক্রন ১০০ ইসি ১ মিলি অথবা সেভিন ৮৫ এসপি ১ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০-১৫ দিন পর পর প্রয়োগ করতে হবে।

অনলাইনে গাছপালা কোথায় পাওয়া যায়ঃ

নার্সারির পাসাপাসি গাছপালা কিনতে পারবেন এখন অনলাইনে ।গাছপালা কিনতে ভিজিট করুন নিচে দেয়া নার্সারী লেখার উপর এবং অর্ডার করতে পারেন দেশের যেকোন প্রান্ত থেকেঃ

নার্সারি

Leave a Comment

Your email address will not be published.