আধুনিক পদ্ধতিতে গাজরের চাষ

গাজরের চাষ|গাজরের চাষ
24th September 2019 0 Comments

গাজরঃ

গাজর আমাদের দেশের দ্বিতীয় জনপ্রিয় সব্জি।এদেশে সাধারণত গাজর সবজি হিসাবে কাঁচা এবং রান্না করে খেয়ে থাকে।সবজি হিসাবে গাজর মানবদেহের বিভিন্ন ধরনের রোগ নিরাময়ের প্রতিরোধক।

গাজরের জাত:

আমাদের দেশে সাধারণত দুই ধরণের গাজর চাষ করা হয়ে থাকে। একটি হল গ্রীষ্মকালীন এবং অপরটি নাতিশীতোষ্ণ। কয়েকটি উল্লেখযোগ্য জাত তুলে ধরা হল যেমন:- কুয়োদা নিউ, কুয়োদা চেনটিনি, চেনটিনি রেডকোর, কিনাকো ক্রস এফ-১, সানটিনি, রয়েল ক্রস ইত্যাদি।

 জমি প্রস্তুতকরণ:

১. গাজর চাষের জমি ৮ থেকে ১০ ইঞ্চি গভীর করে চাষ দিতে হবে। কারণ গাজরের শেকড় মাটির বেশ ভেতরে প্রবেশ করে।

২. গাজর চাষ করার জন্য জমি ৪ থেকে ৫টি চাষ দিতে হবে এবং মই দিয়ে জমি ভালোভাবে তৈরি করতে হবে।

৩. চাষকৃত জমির ঢেলা ভেঙ্গে মাটি ঝরঝরে করতে হবে।

৪.গাজরের বীজ সারিতে বপন করা ভাল তাই জমিতে ৮-১০ ইঞ্চি দূরে দূরে সারি তৈরি করতে হবে।

বীজ বপন পদ্ধতি:

১.  জমিতে বীজ বপনের আগে গাজরের বীজ একদিন ভিজিয়ে রাখতে হবে।

২. গাজরের বীজ আকারে খুব ছোট হয়। এজন্য বীজ বপনের সময় বীজের সাথে ছাই বা মাটি গুঁড়া মিশিয়ে নিতে হবে।

৩. সারিতে বীজ বপণ করলে ২ থেকে ৩ ইঞ্চি দূরে দূরে বীজ বপন করতে হবে।

সেচঃ

১।চারা রোপনের ১ বা ২ দিন পর হাল্কা পানি দিতে হবে।

২। আবার চারা বের হলেই আর একটা সেচ দিতে হবে। এবং

৩। ফসল তোলার সময়  প্রয়োজনে আর একবার সেচ দিতে হবে।

সার ব্যবস্থাপনা:

সার সারের প্ররিমাপ (প্রতি হেক্টরে )
গোবর/ জৈবসার ১০ টন
ইউরিয়া ১৫০ টন
টি এস পি/এম পি ১২৫ টন

 

চাষের সময় পরিচর্যাঃ
১. জমিতে আগাছা থাকলে পোকামাকড়, রোগজীবাণু ও ইঁদুরের আক্রমণ বেশি হয়। তাই বীজ বপনের ১৫-২০ দিন পর একবার নিড়ানী দিয়ে আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।
২. মাটিবাহিত রোগে গাজর বেশি আক্রান্ত হয়। এজন্য একই জমিতে বছরে একবারের

রোগবালাইঃ
বিভিন্ন ধরনের পোকা মাকড় গাজরের বিভিন্ন অংশে আক্রমণ করে থাকে। এদের মধ্যে জাব পোঁকার সংক্রামণ সবচেয়ে বেশি।  এ পোকা গাছের কচি অংশের রস শুষে খেয়ে নেয়।

প্রতিকারঃ

স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত জৈব কীটনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে পোকা দমন না হলে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষি কর্মকর্তা অথবা উপজেলা কৃষি অফিসে পরামর্শের জন্য যোগাযোগ করা যেতে পারে।

ফসল সংগ্রহঃ

সাধারণত মরিচের চারা রোপনের ৬০ দিন পর গাজর সংগ্রহের উপযুক্ত হয়।

বীজ সংগ্রহ ও সংরক্ষণঃ
পুষ্ট ও ভালোমানের গাজর বীজ হিসাবে সংরক্ষণ করতে হবে।

 

অনলাইনে বীজ কোথায় পাওয়া যায়ঃ

দোকানের পাশাপাশি এখন অনলাইনে বীজ কিনতে পারবেন। কিনতে নিচে বীজ লেখা লিঙ্কের উপর ক্লিক করুনঃ

বীজ

Leave a Comment

Your email address will not be published.